শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য বাজেটে সুখবর

অর্থনীতি

শেয়ারের বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে প্রস্তাবিত বাজেট। বিনিয়োগকারীরা স্টক ডিভিডেন্ডের বদলে সর্বদাই ক্যাশ ডিভিডেন্ড চান। সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্টক ডিভিডেন্ড কমিয়ে ক্যাশ (নগদ) ডিভিডেন্ড প্রদানে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করলে এবার থেকে দিতে হবে ১৫% কর।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি ক্ষমতাসীন সরকারের চলতি মেয়াদের প্রথম এবং দেশের ৪৮তম বাজেট।

বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে , ‘বিনিয়োগকারীরা শেয়ারে বিনিয়োগ করে ক্যাশ ডিভিডেন্ড আশা করে। কিন্তু কোম্পানিগুলো ক্যাশ ডিভিডেন্ড না দিয়ে স্টক দিচ্ছে। এতে বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশিত প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন; যার প্রভাব পড়ে শেয়ারবাজারে। তাই কোম্পানিকে স্টক ডিভিডেন্ড প্রদান না করে ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদানে উৎসাহিত করার জন্য কোম্পানির স্টক ডিভিডেন্ডের ওপর ১৫ শতাংশ কর প্রদানের প্রস্তাব করছি।’

বাজেট বক্তৃতায় আরো বলা হয় , ‘অনেক প্রতিষ্ঠান শেয়ার হোল্ডারদের ডিভিডেন্ড না দিয়ে রিটেইনড আর্নিংস বা বিভিন্ন ধরনের রিজার্ভ হিসেবে রেখে দেয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এতে বিনিয়োগকারীরা ডিভিডেন্ড প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন; যার প্রভাব পুঁজিবাজারে পড়ে। কোনো কোম্পানির আয় বছরে রিটেইনড আর্নিংস, রিজার্ভ ইত্যাদির সমষ্টি যদি পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হয় তাহলে যতটুকু বেশি হবে তার ওপর কোম্পানিকে ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে।’

এছাড়া ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের প্রণোদনার জন্য বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, ‘ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের হাতে পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *