ম্যাশ-ফিজের বোলিং দাপটে কম রানেই থামল উইন্ডিজ

খেলা

ইনিংসের শুরুতে ব্রেক থ্রু এনে দেন মাশরাফি, আর শেষটা ছেঁটে দেন মুস্তাফিজ। পুরো ম্যাচেই এই দুই তারকা পেসার দাপট দেখিয়ে গেছেন। ভালো বোলিং করেছেন মেহেদী মিরাজ আর সাকিব আল হাসানও। বোলিং দাপটে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৭ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে উইন্ডিজ। ১০ ওভার বল করে ৬০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন ম্যাশ। আর মুস্তাফিজের বোলিং ফিগার ৯-১-৪৩-৪!

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপদে পড়ে ক্যারিবীয়রা। তারা ভেবেছিল, একটা বড়সড় স্কোর গড়ে ফেলবে। কিন্তু সেটা আর হলো কই? অধিনায়ক মাশরাফি প্রথম আঘাত হানলেন। দলীয় ৩৬ রানে তার বলে সুনিল অ্যামব্রিস (২৩) সৌম্য সরকারের দর্শনীয় এক ক্যাচে পরিণত হন। ১৯ রানের ব্যবধানে তিন নম্বরে নামা ডোয়াইন ব্র্যাভোকে (৬) লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

আরেক ওপেনার শাই হোপকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন রোস্টন চেইজ। কিন্তু কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানের জন্য তা সম্ভব হয়নি। দ্য ফিজের বলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ধরা পড়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন চেইজ (১৯)। এরপর আবারও মুস্তাফিজের ম্যাজিক। তার কাটারে কাটা পড়েন জনাথন কার্টার (৩)। এর মাঝেই হাফ সেঞ্চুরি করেন শাই হোপ। তাকে সঙ্গী করে ইনিংস গড়ায় মনযোগ দেন অধিনায়ক জেসন হোল্ডার।

এই দুজনের জুটি ১০০ স্পর্শ করতেই আঘাত হানেন টাইগার ক্যাপ্টেন মাশরাফি। তার বলে মুশফিকের গ্লাভসবন্দি হন ১০৮ বলে ৮৭ রান করা শাই হোপ। ফিরতি ওভারে এসে জেসন হোল্ডারকেও (৬২) প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান ম্যাশ। অ্যালানকে (৭) এলবিডাব্লিউ করে নিজের প্রথম শিকার ধরেন সাকিব। এরপর জোড়া আঘাতে অ্যাশলে নার্স (১৪) এবং রেমন রেইফারকে (৭) ফেরত পাঠান মুস্তাফিজ। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৭ রান তুলতে সক্ষম হয় উইন্ডিজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *