মাদক ও নারী নির্যাতনের বিপক্ষে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন- মহিউদ্দিন ঠাকুর

জেলা খবর

যুবসমাজের অহংকার, গরিব অসহায় মানুষের প্রান ও জননন্দিত মানবিক যুব নেতা, যিনি সব সময় গরিব দুখি মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন, এবং এলাকার সকল শ্রেণীর মানুষকে সুসংগঠিত করেছেন,তার মানবিক দিকগুলো বিবেচনা করে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা বলে আখ্যায়িত করেন তার এলাকার সকল শ্রেণীর মানুষ।

করোনাকালে যেখানে সারা বিশ্বের মানুষ স্তব্ধ হয়ে ছিল সেখানে মহিউদ্দিন ঠাকুর গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে খবর নিয়েছেন সহযোগিতা প্রদান করেছেন। যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেন যেমন কখনো আনন্দ ভ্রমণের আয়োজন আবার কখনোবা খেলার আয়োজন। নারী নির্যাতনের বিপক্ষে উনি সব সময় আপোষহীন। মাদক ও নারী নির্যাতনের বিপক্ষে তিনি এলাকায় যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।

গজারিয়া ইউনিয়নের মহিউদ্দিন ঠাকুর বলেই বেশি জনপ্রিয়। মহিউদ্দিন ঠাকুরকে গজারিয়া ইউনিয়নের মানুষের একটাই দাবি তিনি চেয়ারম্যান হয়ে গজারিয়ার মানুষের পাশে থাকুক সারা জীবন।

গজারিয়ারবাসী  মহিউদ্দিন ঠাকুরকে  শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার চোঁখে দেখেন। এ শ্রদ্ধা ভালবাসার চোঁখে দেখার কিছু কারণ রয়েছে। আর মানুষের এই শ্রদ্ধা ভালবাসা একদিনে পাইনি। যুগযুগের পরিশ্রমের ফলে আজ মহিউদ্দিন ঠাকুর এ পরিণত হয়েছেন ভালবাসার পাত্র বা ব্যক্তি হিসাবে।

উনার কথা জিজ্ঞেস করতেই এলাকার একজন বলে উঠলেন  তাঁর বিশেষ কিছু আলোচিত দিক রয়েছে,যা অন্যদের মাঝে তিনি-ই সেরা। যাঁর মধ্যে রয়েছে গরিব দুঃখী মানুষের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেয়া। যেখানে মানবতার প্রয়োজন হয়েছে সেখানে ছুটে এসেছেন সব কাজ বাদ দিয়ে। যেখানে সাহায্যদান প্রয়োজন মনে করেছেন, সেখানে দুহাত ভরে দান করে চলেছেন বিরতিহীন ভাবে।

একান্ত সাক্ষাৎকারে উনি বলেন আমি জনগণের সেবায় কাটিয়ে দিতে চাই আমার বাকি জীবন। আর জনগন যদি মনে করেন তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আমাকে দেখতে চান তবে অবশ্যই আমি জনপ্রতিনিধি হয়ে তাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *