ফারইষ্ট লাইফকে ডুবাতে বসেছে মফিজুর রহমান মুন্না

বাংলাদেশ

ফারইষ্ট লাইফকে ডুবাতে বসেছে মফিজুর রহমান মুন্না

রিয়াজুল ইসলাম:

ফারইষ্ট লাইফকে ডুবাতে বসেছে মফিজুর রহমান মুন্না। তিনি বর্তমানে কোম্পানির জেএসভিপি পদে কর্মরত আছেন। মুন্না ২০১৯ সালে ফেনী থেকে বদলী হয়ে ওভারসীজ সার্ভিস সেন্টারের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে ব্যাবসা শুরু করে।ব্যাবসার শুরুতেই বেশ কয়েকটি জোন নিয়ে কার্যক্রম চালায়। তার মধ্যে বাংলাদেশ এবং বিদেশে কয়েকটি জোনাল অফিস আছে। ব্যবসার শুরুতেই অধিনস্থ জোনাল ইনচার্জ এবং সাংগঠনিক অফিস ইনচার্জদের সাথে দ্বিধাদন্ধে জরিয়ে পড়ে এবং বছরের শুরুতেই ব্যবসার হোচট খাওয়া শুরু হয়।ওভারসীজ ডিভিশনের ইনচার্জ না থাকার কারনে মুন্না তার নিজস্ব প্রভাব খাটিয়ে কর্মীদের বিভিন্ন হয়রানি এবং মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দেয়। কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী ব্যবসা না করে নিজের তৈরি করা নিয়ম অনুযায়ী ব্যাবসা করতে চাপ প্রয়োগ করে। যার ফলে কর্মীরা আর্থিক এবং মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। অপর দিকে ঢাকা মডেল জোন ২০৮ ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রউফের কর্মকান্ডে হতাশার মধ্যে পড়ে যায় তার অধিনস্থ কর্মীরা।আঃ রউফের তেলবাজির কারনে দিশেহারা পুরো জোনের কর্মীরা। তিনি নিয়ম বিহর্ভূত মৌখিকভাবে সকালে একজনকে এবং বিকেলে আর একজনকে সাংগঠনিক অফিস ইনচার্জ বানায়। সব মিলিয়ে তার জোনের অফিসকে হ য ব র ল অবস্থায় ফেলে দেয়। ২০১৮ সালের ঢাকা মডেল জোনের ব্যাবসা হয় ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা,কিন্তুু নিয়ম অনুযায়ী ব্যবসা এবং লোকবল বেশি হওয়ার কথা থাকলেও ২০১৯ সালে ব্যাবসা হয় মাএ ৭৬ লাখ টাকা। সংগঠনের সাথে খারাপ আচারন, সমন্বয়হীনতা, অযোগ্য তাই ব্যার্থতারর মুল কারণ বলে মনে করে কোম্পানির অনেক সিনিয়র কর্মকর্তা। বিগত দিনে বিভিন্ন জোনে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য প্রমাণ হওয়ার পরে ও সিনিয়রদের তৈলমর্দন করার কারণে এখনও তার পদবীতে টিকে আছে। অন্য দিকে মুন্না তার বেশ কিছু অনিয়মকে নিয়ম করে নিজেকে সবসময় সৎ মানুষ হিসেবে উপাস্থাপন করে আসছে। ১. সংগঠনের মধ্যে দন্ধ ছড়ানো, ২. কমিশনের চেক নিয়ে হয়রানি, ৩. জোন এবং সাংগঠনিক অফিস থেকে অপরিপক্ক বি সি দের আলাদা করে কোনও অফিস ইনচার্জদের মতামত না নিয়ে নিজ ক্ষমতার জোরে তাদেরকে ভারচু্য়াল সাংগঠনিক অফিস ইনচার্জ বানায়। যার কারনে তাতে উভয়েই ব্যবসায়ীক দিক থেকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৪. কর্মীদের সাথে খারাপ আচরন করার ফলে বিভিন্ন জোনের বহু কর্মী অন্য কোম্পানি তে যোগদান করে, ৫.লকডাউনের মধ্যে কর্মীদের সাথে কমিশন চেক নিয়ে বাগবিতন্ডা হয়, ঈদের আগে সবার চেক ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা বললেও শুধু মাএ যারা অফিসে গিয়েছে তারাই কমিশন চেক হাতে পেয়েছে। মুন্নার অপকর্মের বিষয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোম্পানির একজন সিনিয়র অফিসার বলেন, মুন্নাকে দায়িত্ব দেওয়ার আগে ওভারসীজ সার্ভিস সেন্টার ২০১৮ সালে ৬ কোটি টাকা ব্যবসা অর্জন করতে সক্ষম হয়। মুন্না আসার পরে যেখানে ২০১৯ সালে ব্যাবসা হয় মাএ ৪ কোটি টাকা। এমতাবস্থায় মুন্না যদি তার কার্যক্রম থেকে বিরত না হয় তাহলে ওভারসীজ সার্ভিস সেন্টার একটা সময় দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে। এ বিষয় কোম্পানির অনেক উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাননীয় মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এবং চেয়ারম্যান মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *