নারায়নগঞ্জে নবায়ন নিচ্ছে না চার হাজার সিএনজি- সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব-চাঁদাবাজরা লালেলাল

বাংলাদেশ

নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোট অথরিটি (বিআরটিএ) নারায়নগঞ্জ অফিস সূত্রে জানাযায় নারায়নগঞ্জ জেলার সাতটি উপজেলায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা রয়েছে পাঁচহাজার আটশত ষাটটি এদের মধ্য (রেজিস্ট্রেশন নবায়ন করেছে (১৫ থেকে ১৬শত) আরবাকি প্রায় (৪০০০ হাজার সিএনজি চলছে রেজিস্ট্রেশছারাই। বছরের পর বছর নারায়ণগঞ্জ জেলায় রেজিস্ট্রেশন ছারাই চলছে অবৈধভাবে হাজার হাজার সিএনজি অটোরিক্সা।

বছরে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার রেজিস্ট্রেশন ছারাই নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবৈধ ভাবে চলছে ৪০০০ হাজার সিএনজি চালকদের দিন ও মাস প্রতি দিতে হয় চাঁদা চাঁদার টাকার ভাগ যায় ক্ষমতাসীন দলের নেতা ও পুলিশের পকেটে

এজন্য চালকদের মাসিক ও দিন প্রতি গুনতে হয় চাঁদার টাকা এ চাঁদার ভাগ চলেযায় ক্ষমতাসীন দলের ও শ্রমিক সংগঠনের নেতা ও পুলিশের কিছু কর্মর্কতার কাছে এ দিকে রেজিস্ট্রেশন নবায়ন না করায় সিএনজি অটোরিক্সা থেকে বছরে প্রায় (৩ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার নারয়নগঞ্জ( বি আর টি এ) এর সহকারি পরিচাকল সৈয়দ আইনুল হুদা চেীধুরী বলেন প্রতিটি অটোরিক্সা সিএনজি বছরে শাত হাজার টাকা করে রাজস্ব দিতে হয়। তিনি আর জানান ৩০জুন পর্যন্ত তাদের সময় আছে সরকার ৩০জুন পর্যন্ত জরিমানা মওকুফ করেছেন এ সময়ের মধ্যে তারা কাগজ নবায়ন করলে জরিমানা মাপ পাবে তার হিসেব মতে শাত হাজার টাকা করে প্রতিটি সিএনজি থেকে রাজস্ব আসলে চার হাজারের অধিক সিএজি থেকে বছরে প্রায় তিন কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার ।

তবে কেন সিএনজি নবায়ন করায়না -কারাতাদের সেল্টার দিচ্ছে এব্যাপারে কোন কথা বলতে নারাজ তিনি।অন্য দিকে বিভিন্য এলাকা গুরে সিএনজি ড্রাইভারদের কাছথেকে জানতে চাইলে কেন তারা কাগজ নবায়ন করেনা তারা বলেন এমনিতে হাইওয়ে রোড বন্ধ থাকায় আমাদের আয় রোজগার কম তার উপর রাস্থায় চলাচল করতে হলে দলের নেতা সংগঠনের নেতা পুলিশের হয়রানি সারাদিন গাড়ি চালিয়ে নিজের খরচ জমার টাকা দিতে হিমসিম খেতে হয় ।

এজন্য আমরা সবমিলীয়ে আর পারছিনা তারা আরও জানান প্রতিদিন দুই তিনশত চাদার টাকা গুনতে হয় যদি কাউকে কোন চাঁদা না দিতে হত তাহলে কাগজ নবায়ন করতে আমাদের সমস্যা হতো না।এদিকে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব লালেলাল হচ্ছে চাঁদাবাজরা দেখার কেউ আছে কি।

এব্যাপারে ওসি হাইওয়ে কাচঁপুরের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমার এলাকায় কোন অবৈধ সিএনজি চলে না। গাউছিয়া ভুলতা এলাকার টি আই কে একাদিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিব করেন নাই।

নারায়নগঞ্জ জেলা বর্ডার এলাকা রামপুরা ট্রাফিক জোনের স্টাফ কোয়াটারে রয়েছে কয়েক শত নারায়নগঞ্জের নাম্বার প্লেট বাহি সিএনজি অটো রিক্সা এ নিয়ে কথা হলে রামপুরা ট্রফিক জোনের টি আই সাইফুল যানান এগুলো বন্ধ হলে আমি খুশি ট্রাফিক আইন অনুযায়ি ব্যাস্থানিব ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *