তারেক রহমানের বার্তা নিয়ে সাজাপ্রাপ্তদের বাড়িতে আইনজীবী দল

বাংলাদেশ

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ঈশ্বরদী বিএনপির ৪৭ নেতাকর্মীর মামলাকে নিজের পরিবারের সদস্যদের মামলা বলে তদারকি করছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এদের যাবতীয় মামলার খরচ ব্যক্তিগতভাবে বহন করাসহ আনুসঙ্গীক বিষয়ে তদারকি করছেন তারেক রহমান। তারেক রহমানের এই বার্তাটি দিতেই ঢাকা থেকে আমরা আপনাদের বাড়িতে এসেছি।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে বিএনপির আইনজীবীদের একটি প্রতিনিধিদল সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ৪৭ নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব কথা বলেন।

সাজাপ্রাপ্ত নেতাকর্মীদের পরিবার ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই মামলা পরিচালনার জন্য একটি টাকাও পরিবার থেকে আপনাদের দিতে হবে না। কাউকে এই মামলার জন্য কোনোরূপ টাকা দেবেন না। কারণে এই মামলার সকল ব্যায় দলের পক্ষ থেকে বহণ করা হবে। মামলাটিকে নিজের পরিবারের সদস্যদের মামলা হিসেবে কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তারেক রহমান। পর্যায়ক্রমে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা আপনাদের নিকট আসবেন। যোগাযোগ রাখবেন। বিচলিত হবেন না। ধর্য্য হারাবেন না। হাইকোর্টে জামিনের জন্য নিম্ন আদালতের রায়ের কপি ইতোমধ্যে ঢাকাতে পৌঁছে গেছে।

প্রতিনিধি দলের সদস্য অ্যাডভোকেট নিপূণ রায় বলেন, আপনার পরিবারের বাচ্চারা যারা লেখাপড়া করছে তাদের খরচের প্রয়োজন হলে জানাবেন আমরা তা বহণ করবো। তিনি আরো বলেন, আপনারা সবাই দোয়া করেন যেন আমরা কামিয়াব হতে পারি।

ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মাদ হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে আসা আইনজীবীদের মধ্যে অন্যান্যরা হলেন ব্যারিস্টার সাইফুর রহমান, অ্যাডভোকেট নিপূণ রায়, অ্যাডভোকেট গোলাম আক্তার জাকির, অ্যাডভোকেট ওয়াবেদ রহমান চন্দ্র, অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, অ্যাডভোকেট লুবণা, অ্যাডভোকেট রওশন আক্তার, অ্যাডভোকেট আফরোজ।

পাবনা থেকে আইনজীবীদের এই প্রতিনিধি দলটিকে সমন্বয় করেন অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম। এ ছাড়া বিএনপির স্থানীয়দের মধ্যে পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এসএম ফজলুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদ আমিনুর রহমান স্বপন, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন জুয়েল, পাবনা ছাত্রদলের সভাপতি হিমেল রানা সুইট, ঈশ্বরদী ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসানসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে বিগত ১৯৯৪ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ট্রেন বহরে হামলা মামলায় সম্প্রতি পাবনা আদালত ঈশ্বরদীর বিএনপির ৯ নেতাকে ফাঁসি, ২৫ জনকে যাবতজীবন ও ১৩ জন ১০ বছরের সশ্রম কারা ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। এরপর সাজাপ্রাপ্তদের বাড়িতে প্রথমে আসেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান রহমান শিমুল বিশ্বাস। এরপর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে আইনি সহযোগিতা করার বার্তা নিয়ে আসলে দলীয় আইনজীবিদের একটি প্রতিনিধি দল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *