চীন অক্টোবরেই বন্ধ করে উহানের ল্যাব, ফোন লোকেশন ধরে চাঞ্চল্যকর তথ্য!

বিশ্ব

মোবাইলের অবস্থান বিশ্লেষণের তথ্যানুসারে- চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের সুরক্ষিত করোনাভাইরাস পরীক্ষাগারটি গত বছরের অক্টোবরেই বন্ধ হয়ে যায়। নতুন এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।

ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এনবিসি নিউজকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা নথিগুলো পর্যালোচনা করে দেখেছে। লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছে।

তাতে দেখা যায়, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত চীনের উহান ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজিতে মোবাইলের কোনো ব্যবহার হয়নি।

সে কারণে বিশ্লেষকদের শঙ্কা, ওই গবেষণাগারে বিপর্যয় সৃষ্টির মতো কোনো কিছু সেই সময়ে ঘটে থাকতে পারে। আর সেটা ৬ অক্টোবর থেকে ১১ অক্টোবরের মধ্যে ঘটেছে।

তবে গবেষণাগারটি বন্ধ করে দেওয়া কিংবা সেখান থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার মতো কোনো প্রমাণ উঠে আসেনি ওই প্রতিবেদনে।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে তার প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তা মনে করেন, উহানের গবেষণাগার থেকে করোনা ছড়িয়ে গেছে। বেশ কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনেও সেই দাবি করা হয়। তবে চীন বরাবরই সেই দাবি নাকচ করে আসছে।

নতুন এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি ওই গবেষণাগারটি বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে থাকে, তার অর্থ এই যে, করোনাভাইরাস দুর্ঘটনাক্রমে হলেও সেখান থেকে ছড়িয়ে গেছে। আর এটিই তার প্রমাণ।

তবে গবেষণাগারটি শাটডাউনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষকরাও এ ব্যাপারে সঠিকভাবে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, করোনাভাইরাস প্রথম যখন শনাক্ত করা হয়, তার অনেক আগেই এটি ছড়িয়েছে। উহানের গবেষণাগারে মোবাইল ব্যবহারের তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা মার্কিন কর্মকর্তা সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি যে, গবেষণাগারটি শাটডাউন করা হয়েছিল কি না।

তবে তিনি বলেছেন, এর আগে মার্কিন গোয়েন্দারা যেসব তথ্য হাতে পেয়েছে এবং স্যাটেলাইটের তথ্যানুসারে ওই গবেষণাগার শাটডাউন করে রাখা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কেউই এটা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।

মার্কিন কর্মকর্তারা এনবিসি নিউজকে বলেছেন, ২০১৯ সালের অক্টোবর ও নভেম্বরের যেসব তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে সেগুলো পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সেখানে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সূত্র : ডেইলি মেইল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *