চট্টগ্রামে কিশোরী ধর্ষণ মামলার আসামির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

জেলা খবর

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চৌমুহনী এলাকায় ধর্ষণ মামলার আসামি আবদুন নুরের (২৫) গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে আনোয়ারা থানা পুলিশ। কোরিয়ান ইপিজেডের এক কিশোরী ধর্ষণ মামলার আসামি ছিল নিহত ব্যক্তি।

আজ রবিবার ভোরে আনোয়ারা ইকোনোমিক জোনের পাহাড়ের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আবদুন নুর আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে। সে কিশোরী গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া আবদুন নুরের বিরুদ্ধে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি দুলাল মাহমুদ।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ ধর্ষণ মামলার আসামির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‌‌’ইকোনোমিক জোনের পাহাড়ের ভেতর থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি আবদুন নুরের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে হয়তো প্রতিপক্ষরা হত্যা করেছে।’

গত শুক্রবার রাতে এক কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় সিএনজি অটোরিকশা চালক মো. মামুন (২১) ও মো. হেলাল উদ্দিনকে (৩০) গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়ন্তী রাণী রায়ের আদালতে ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এতে আসামিরা জানান- ধর্ষণের পরিকল্পনা করেই তারা চারজনের মধ্যে একজন চালক বেশে ও অন্য তিনজন যাত্রীবেশে চাতরি চৌমুহনী এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিল। কিশোরী কোরিয়ান ইপিজেডে কর্ণফুলী সু ফ্যাক্টরিতে কাজ শেষে চন্দনাইশে বাড়ি যাওয়ার জন্য ওই সিএনজি অটোরিকশায় উঠে। কালারমার দীঘি এলাকায় পৌঁছালে তারা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ফেলে পালিয়ে যায় তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *