গজারিয়ায় কেন বন্ধ হচ্ছে না সিএনজি অটোরিকশা ও কাগজ বিহীন অবৈধ প্রাইভেট কার?

জনদুর্ভোগ জেলা খবর

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করেই হাইওয়ে পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় মহাসড়কে এখনো চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা ও অবৈধ কাগজবিহীন চোরাইকৃত প্রাইভেট কার চলাচলে হাইওয়ে পুলিশের বিতর্কিত ভূমিকাও লক্ষ করা যাচ্ছে ইদানিং। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে হাইওয়ে পুলিশের বিতর্কিত বিভিন্ন ঘটনায় দেখা যায়। অথচ এ মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে এখনো প্রকাশ্যে চলাচল করছে সিএনজি, অটোরিকশা ও কাগজবিহীন অবৈধ প্রাইভেট কার।  যেখানে বাইরে রাখা গাড়ি আটক করা হচ্ছে সেখানে হাইওয়ে পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় দিব্যি মহাসড়ক চষে বেড়াচ্ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ও কাগজবিহীন অবৈধ প্রাইভেট কার যেসবের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে নেওয়া হচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা।ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব সিএনজি ও লক্কর-ঝক্কর প্রাইভেট কারের কারণ হাইওয়েতে হচ্ছে দুর্ঘটনা।

  মুন্সীগঞ্জের  গজারিয়া এলাকার এক সি,এন,জি  চালক হান্নান এর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রবিন স্যার ( এস আই রবিন, গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশ সদস্য) কে ম্যানেজ করে সাপ্তাহিক 2000 টাকার বাজারাদি করে দিয়ে আমি মহাসড়কে সিএনজি চালায় আমার মত অনেকেই রবিন স্যারকে ম্যানেজ করে সিএনজি চালায়। অন্যদিকে আরেক প্রাইভেটকার চালক নাছিরউদ্দীন ( ছদ্দ নাম) জানান গজারিয়া অংশের ১৩ কিঃলোঃ  পর্যন্ত ২৫/৩০ টি অবৈধ চোরাই প্রাইভেট কার চলাচল করছে দেদারছে। ভবেরচর পয়েন্টে গজারিয়া থানার সামনে গেলেই দেখা যায় এদের দৈরাত্ম্য। প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চলছে এই চোরাই সিন্ডিকেটের প্রাইভেট কার গাড়ি। প্রাইভেটকার চালক  বললেন প্রতি ১০ দিন পর পর ১২০০ টাকা করে জমা দিলে চলতে পারে তাদের প্রাইভেটকার নয়তো গুনতে হয় জরিমানা কখনোবা গাড়ির জেল হাজত।এই বিষয়ে গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশ ইনচার্জ এর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তাকে মুঠোফুনে পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *