ইউএনও সাইদুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার আসামী, মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়ের অভিযোগ

বাংলাদেশ

ইউএনও সাইদুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার আসামী, মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়ের অভিযোগ

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
যাদের মাদক নিয়ন্ত্রণ করার কথা, তারাই টাকা নিয়ে বা নিজস্ব স্বার্থ হাছিলের জন্য মাদক সেবনে ও ব্যবসার পৃষ্ঠপোষকতা করছেন। সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও মিথ্যে অপবাদে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছেন। এসব অভিযোগ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা সদ্য টাঙ্গাইল সদরে বদলি হওয়া নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি হয়রানি, মিথ্যে অপবাদ, চাঁদাবাজির অভিযোগ অভিযুক্ত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দুদকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে করোনা কালীন সময়ে বেড়েছে মাদকের ব্যবহার, বেড়েছে অপরাধ প্রবণতা। মাদক সেবন ও বেচাকেনায় বাধা দেয়ায় হত্যা চেষ্টার ঘটনাও ঘটছে। মাদক রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা থাকলেও, প্রশ্নবিদ্ধ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
সাধারণ মানুষকে হয়রানির পাশাপাশি, মাদক বিক্রেতা, হত্যা মামলার আসামী, অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা রাখার অভিযোগ রয়েছে নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে উপজেলায় তার ছত্রছায়ায় একাধিক মাদক সেবী ও মাদক ব্যবসায়ী আধিপত্য বিস্তার করছে বলে জানা যায়। এদের মধ্যে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের মনারবাগ এলাকার মোঃ এরশাদ আলীর ছেলে অমিত হাসান মিরাজ, একই এলাকার তার সহযোগী মোঃ রিফাতের মাদক সেবনের ছবি ও স্বপন হত্যা মামলার আসামী জুয়েলের ইউএনও সাইদুল ইসলামের সাথের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
অমিত হাসান ও তার সহযোগি সাইফুল ইসলাম সাইফ, রিফাত, সৌরভ আজম, সজিব তালুকদার, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, মৃনাল হাসান, রাজু আহমেদ অর্নব সহ স্বেচ্ছাসেবীদের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া ইউএনও’র বিভিন্ন বিষয় অতিরঞ্জিত ভাবে প্রচার এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অপপ্রচার চালাতো বলেও প্রমাণ পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায় অমিত হাসান মিরাজ তার সহযোগীদের সাথে বিদেশী মদ ও বিয়ার পান করছেন। এছাড়া ইউএনও’র ভাড়া করা গাড়িতে বিভিন্ন জায়গায় মাদকের ব্যবসা পরিচালনার করে আসছিল। হত্যা মামলার আসামী জুয়েল বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ইউএনও সাইদুলের সাথে ছবি তুলে বিভিন্ন মহলে তার অবৈধ সুযোগ সুবিধা ভোগ করতো।
উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বে ইউএনও সাইদুলের বিরুদ্ধে একজন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে সরকারী ত্রান আত্মসাতের দায়ে তাকে সাময়িক বহিস্কার করার জন্য তার নামে দুদকে অভিযোগ করেন ওই ইউপি সদস্য। এছাড়া দুধঘাটার এক ঠিকাদার কে চাঁদা দাবি করার পর তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে টেন্ডারে তার নাম বাদ দিয়ে অন্য আরেকজন কে কাজ পাইয়ে দেয়ার অভিযোগেও দুদকে লিখিত আকারে জানান ঐ ঠিকাদার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *